এইসব দিনরাত্রি
এক। আজকে কী কী খেয়েছি তোমাকে ছাড়া, জানো? বাটার-নান আর চিকেন তন্দুরি, চিকেন-স্যুপ, ছোলাভাজা, গরম গরম বেগুনি, শাকের বড়া; সব অনেক মুচমুচে। তারপর সালাদ, তরমুজ, খোরমা খেজুর, পরে
এক। আজকে কী কী খেয়েছি তোমাকে ছাড়া, জানো? বাটার-নান আর চিকেন তন্দুরি, চিকেন-স্যুপ, ছোলাভাজা, গরম গরম বেগুনি, শাকের বড়া; সব অনেক মুচমুচে। তারপর সালাদ, তরমুজ, খোরমা খেজুর, পরে
ওরা এসেছিল। ওরা অনেক কথার কাকলি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে চলে গেল। চলেই গেল কি? হ্যাঁ, ওরা ওই চলে যাচ্ছে ধাপে ধাপে, সিঁড়িগুলো ভেঙে ভেঙে। আমরা স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। আমি
অনেক সোনার দীপ্তি! কামনার সোনার হরিণ,ঊষার রক্তিম ঝারি, দীপান্বিত বাসন রঙিন,বাসনারা খিন্ন, ক্ষুব্ধ, ভীত, ত্রস্ত পলায়িত যদি,কৃষ্ণমেঘে অন্তরাল। জানি, সেই বয়ে-চলা নদীধান দেবে, গান দেবে, শুভাশিস স্নিগ্ধ কামনারবিহঙ্গম,
অনন্তকালের ঘরে মৃত্যু আসে সদাসর্বক্ষণে,শান্তির আমেজ নামে ব্যথাহত দীর্ণ গৃহকোণে;মৃত্যু অতি স্বাভাবিক। তবুও তো ভয় করে জানি,মৃত্যুর বীভৎস রূপ কবে এসে যায় দিঠি হানি,কেঁদে কেঁদে দু-কূল ভাসায়।সুস্নিগ্ধ ছায়ায়কোন
দোয়েল-কোয়েল পাখির মিঠেঘুম-ভাঙানো গানে,ঢেউ-খেলানো ধানের মাঠেমন যে আমার টানে। কাজলা-বিলের কলমিফুলেরপরাগ পড়ে ঝরে,ময়নাদিঘির শাপলা-শালুকফুটছে থরে থরে। ঝিঙাশাইল, রূপশাইল আরবাসমতি ধান গো…মন ভরিয়ে, দেয় জুড়িয়েআমার এ প্রাণ গো। রূপকথারই
সংসারে দুখাইয়ের আর কেউ নেই; ছোটো মিনিই তার সংসারের একমাত্র অবলম্বন—মিনিই তার বুকের একমাত্র ধন। দুখাই গরিব বলে পরের বাড়িতে সত্তর-আশি টাকা রোজ হিসাবে কাজ করে কোনোমতে কায়ক্লেশে